ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে এখন বাড়িতে বসেই আয় করুন। আপনি প্রতি মাসে ৫,০০০-৫০,০০০ বা তারও বেশি টাকা আয় করতে পারবেন। তবে এর জন্য আপনাকে নিয়ম মাফিক পরিশ্রম করতে হবে। মনে রাখবেন পরিশ্রম ছাড়া কোন উপায়ে উপার্জন করা যায় না। এই ব্লগে আপনার যোগ্যতা অনুযায়ী কিভাবে আয় করা সম্ভব তা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
E-bay-ই-বে এর মাধ্যমে অর্থ উপার্জন-1
ই-বে ইন্টারনেটে নিলামে জিনিষপত্র বিক্রি করে। কোন একটি জিনিষের বর্ননা এবং শুরুর দাম উল্লেখ করা থাকে, এরপর ক্রেতারা কে কত টাকায় কিনতে চান সেটা জানান। নিলামের নিয়ম অনুযায়ী যিনি বেশি দাম দিতে আগ্রহি তিনি কেনার সুযোগ পান। এই ব্যবস্থা অত্যন্ত জনপ্রিয় কারন অনেকেই এই পদ্ধতিতে খুব কমদামে কেনার সুযোগ পান।
আপনি
এই ব্যবস্থায় অংশ নিয়ে আয় করতে পারেন। কোন জিনিষ, কত দামে বিক্রি হবে এসব নিয়ে আপনার মাথা ঘামানোর প্রয়োজন নেই। আপনার পছন্দমত জিনিষের লিষ্ট আপনার সাইটে রাখবেন। ক্রেতা সেখানে ক্লিক করে নিলামে অংশ নেবেন। বিক্রি হলে আপনি কমিশন পাবেন।
E-bay-ই-বে এর মাধ্যমে অর্থ উপার্জন-2
ঘরে
বসে আয় : ইমেইল মার্কেটিং
নিজের বাড়িতে বসে ইন্টারনেট ব্যবহার করে আয়ের শতশথ পথ রয়েছে। আপনি তথ্য বিক্রি করতে পারেন, অন্যের জিনিষ ই-বে এর মাধ্যমে বেক্রি করতে পারেন, অন্যের ওয়েবসাইট তৈরী করে দিতে পারেন, অন্যের প্রচারের ব্যবস্থা করতে পারেন। বিক্রির জন্য আপনার নিজের কিছু তৈরী করা প্রয়োজন নেই। তথ্যকে ক্রেতার সামনে তুলে ধরবেন, তিনি অনলাইনে কিনলে আপনি কমিশন পাবেন সেই পন্যের মালিকের কাছ থেকে।
নিজের বাড়িতে বসে ইন্টারনেট ব্যবহার করে আয়ের শতশথ পথ রয়েছে। আপনি তথ্য বিক্রি করতে পারেন, অন্যের জিনিষ ই-বে এর মাধ্যমে বেক্রি করতে পারেন, অন্যের ওয়েবসাইট তৈরী করে দিতে পারেন, অন্যের প্রচারের ব্যবস্থা করতে পারেন। বিক্রির জন্য আপনার নিজের কিছু তৈরী করা প্রয়োজন নেই। তথ্যকে ক্রেতার সামনে তুলে ধরবেন, তিনি অনলাইনে কিনলে আপনি কমিশন পাবেন সেই পন্যের মালিকের কাছ থেকে।
সাধারনত
তিনভাবে আপনি এধরনের আয় করতে পারেন, কোন ব্যক্তি যখন কিছু কেনে (Pay per
sale), কোন
ব্যক্তি যখন ফরম পুরন করে (Pay per
lead) এবং কোন ব্যক্তি যখন লিংকে ক্লিক করে (Pay per
click). এই
৩টির মধ্যে প্রথমটিতে সবচেয়ে বেশি অর্থ পাওয়া যায় এবং সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। আর শেষেরটিতে আয় কম এবং জালিয়াতি হয় বলে জনপ্রিয়তাও কম।
Data Entry-ডাটা এন্ট্রি করে উপার্জন
ডাটা
এন্ট্রি করে অর্থ উপার্জনের জন্য আপনার একটিমাত্র দক্ষতাই প্রয়োজন, দ্রুত এবং নিখুতভাবে
টাইপ করতে জানা। কাজ পাওয়া যায় খুব সহজেই।
বিশ্বের
বহু কোম্পানী রয়েছে যাদের লক্ষ লক্ষ ফরম পুরন করা প্রয়োজন, অথচ একাজের জন্য পর্যাপ্ত
লোক নেই। তারা দ্রুতই জেনে গেছে ইন্টারনেট এই কাজের জন্য উপযোগি মাধ্যম। খুব সহজে ব্যক্তি
বা প্রতিস্ঠানের কাছ থেকে এই কাজ করিয়ে নেয়া যায়।
অধিকাংশ
ক্ষেত্রেই যে ফরমগুলি পুরন করতে হয় সেগুলি ছোট। প্রতি ফরমের জন্য ৩০ থেকে ৫০ ডলার পাওয়া
যায়। দিনে ৩০০ থেকে ২০০০ আয় করা অসম্ভব না। শুনে অবাক হতে পারেন, এই কাজ করে মাসে ৪০
হাজার ডলার আয় করার উদাহরন রয়েছে। অন্য কাজে জড়িত থাকলেও সপ্তাহে এক বা দুদিন একাজের
জন্য বরাদ্দ রেখে অতিরিক্ত আয় করা যেতে পারে।
Freelancer-14 ( গুপ্তধন খুজুন )
গুপ্তধন
খুজতে সবাই পছন্দ করে। এনিয়ে গল্প-উপন্যাস, মুভি থেকে শুরু করে গেম পর্যন্ত রয়েছে। এগুলি থেকে আপনি সত্যিকারের ধনরত্নের মালিক হতে পারেন না, তবে আনন্দ পান। আর ফ্রিল্যান্সিং কাজে গুপ্তধন খুজে ধনরত্ন পেতে পারেন।
গুপ্তধন
হচ্ছে এমনকিছু যা কাছেই রয়েছে অথচ আপনি দেখছেন না। আরেকবার ভালভাবে দৃষ্টি দিন, দেখবেন সেগুলি বের করা সম্ভব, কাজে লাগানো সম্ভব। ফ্রিল্যান্সার হিসেবে আপনি কিভাবে কোন ধরনের গুপ্তধন খুজে বের করতে পারেন জেনে নিন।
Freelancer-13 ( ওয়ার্ডপ্রেস টেম্পলেট বিক্রি করে আয় )
আপনি
PHP, Javascript ভাল
জানেন, সেইসাথে ফটোশপে দক্ষতা আছে। একে কাজে লাগিয়ে ওয়ার্ডপ্রেস টেম্পলেট (থিম) তৈরী করতে পারেন। তারপর বিক্রি করতে পারেন ইন্টারনেটের মাধ্যমে। কিভাবে বিক্রি করবেন সেটা যদি সমস্যা মনে হয় তাহলে সমাধান দেবে ফ্রিলান্সার। তাদের সাইটে টেম্পলেট জমা দিন। বিক্রি হলে আপনি টাকা পাবেন।
অবশ্যই
আপনাকে অন্যের কাজে লাগার উপযোগি টেম্পলেট বানাতে হবে। কিছু বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে তেমন টেম্পলেট তৈরী করতে হবে। বিষয়গুলি জেনে নিন।
Freelancer-12 ( ক্লায়েন্ট ধরে রাখা )
Freelancing tips: ক্লায়েন্ট ধরে রাখার জন্য কি করবেন
এই
সাইটে ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে বলতে গিয়ে ইন্টারনেটের মাধ্যমে কাজ করাকেই বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। ইন্টারনেট ছাড়াও আপনি ফ্রিল্যান্সার হতে পারেন। হয়ত ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ করেও নিজেকে ফ্রিল্যান্সার মনে করছেন না। আপনি কি চাকরীর বাইরে অন্যকিছু করছেন? কারো কোন কাজ করে দেয়ার বিনিময়ে অর্থ উপার্জন করছেন। কিংবা চাকরী নেই বলে এর ওপরই নির্ভর করছেন? যদি করে থাকন তাহলেই নিজেকে ফ্রিল্যান্সার বলতে পারেন। হয়ত
অনেকে অবাক হবেন বাংলাদেশে প্রোগ্রামার, গ্রাফিক ডিজাইনার, এনিমেটর, ভিডিও এডিটর, নাটক নির্মাতা, অভিনেতা এদের অর্ধিকাংশ পার্টটাইম অথবা ফুল টাইম ফ্রিল্যান্সার। যখন যেখানে কাজ পান সেখানে কাজ করেন।
Freelancer-11 ( সময় বাচানোর সেরা উপায় )
Freelancing tips: সময় বাচানোর সেরা উপায়
ফ্রিল্যান্সারদের
কাছে সময় অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ন। সঠিক সময়ে কাজ করে দিতে সময় নিয়ে টানাটানি একেবারে সাধারন ঘটনা। কিছু নিয়ম মেনে একেবারে শেষ মুহুর্তে বিপদে পড়ার হাত থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। এই
নিয়মগুলিকে
একদিকে মনে হতে পারে সাধারন অন্যদিকে কষ্টকর বলেও মনে হতে পারে। একটু একটু করে একসময় অভ্যেসে পরিনত করে ফেলুন, অল্প সময়ে বেশি কাজ, বেশি ফল পাবেন। সাধারন কাজগুলির জন্য নির্দিস্ট ফরম্যাট তৈরী করে নিন। আপনাকে হয়ত নিয়মিতভাব প্রোপোজাল তৈরী, বিল তৈরী, চিঠি ইত্যাদি লেখালেখির কাজ করতে হয়। একটি সাধারন ফরম্যাট তৈরী করে রাখুন, প্রয়োজনের সময় সামান্য এদিক-ওদিক করে ব্যবহার করুন।
Freelancer-10 ( ক্রিয়েটিভিটি নষ্ট হওয়ার কারন )
Freelancing tips: ক্রিয়েটিভিটি নষ্ট হওয়ার ৫ কারন
ফ্রিল্যান্সিং
কাজের মুল শক্তি ক্রিয়েটিভিটি। ফ্রিল্যান্সার কতটা ভিন্নভাবে চিন্তা করতে পারেন, তাকে কাজে পরিনত করতে পারেন তার ওপর নির্ভর করে সাফল্য। বিভিন্ন কার প্রভাব ফেলে ক্রিয়েটিভির ওপর। সেদিকে দৃষ্টি দিয়ে আরো বেশি মনোনিবেশ করা যায় কাজে, ক্রমাগত নতুন, উদ্ভাবনী কাজ করা যায়।
যারা
ফ্রিল্যান্সিং
বিষয়ে অভিজ্ঞ তারা এধরনের বিষয় নিয়ে নিয়মিত লেখেন। ফুল টাইম ফ্রিল্যান্সার জন ফিলিপ এর দৃষ্টিতে ক্রিয়েটিভি নষ্ট হওয়ার ৫ কারন এখানে তুলে ধরা হচ্ছে।
একাধিক দিকে দৃষ্টি দেয়া
Freelancer-9 ( ফ্রিল্যান্সার থেকে কিভাবে কাজ পাবেন )
একসময়
এর নাম ছিল
GetAFreelancer, বর্তমান
নাম
Freelancer।
আউটসোর্সিং
কাজের জন্য শীর্ষস্থানীয় প্রতিস্ঠান। তাদের সাইটে রয়েছে লক্ষ লক্ষ কাজ। কম্পিউটার ব্যবহার করে করা যায় এমন যেকোন কিছু। ডাটা এন্ট্রি থেকে প্রোগ্রামিং, গ্রাফিক ডিজাইন থেকে এনিমেশন, ওয়েব সাইট ডিজাইন থেকে মোবাইল, যেকোন কাজই পেতে পারেন তাদের মাধ্যমে। তাদের সাইটে গিয়ে ফরম পুরন করুন, কাজের লিষ্ট দেখে এপ্লাই করতে শুরু করুন।
Freelancer-8 ( কিভাবে বেশি কাজ করতে পারেন )
কাজে
সহায়তা করার জন্য এসিষ্টেন্ট রাখা হয়। যদি ব্যবসাপ্রতিস্ঠান
পরিচালনা করেন সেখানে সবকাজ একা করতে পারেন না, কাউকে না কাউকে নিয়োগ দিতে হয়। আপনি যখন ফ্রিল্যান্সার তখন নিয়োগ দেয়ার বিষয় ততটা সহজ থাকে না। অর্থসংক্রান্ত বিষয় তো বটেই, এমনকি কাজের ধরনের মিল থাকা-নাথাকাও বড় বিষয় হয়ে দাড়ায়। যেহেতু আপনি রুটিন কাজ করাচ্ছেন না। একাজে
সহায়তা করতে পারে ভার্চুয়াল এসিষ্টেন্ট।
কম্পিউটার
ব্যবহারকারীদের
কাছে ভার্চুয়াল শব্দটি পরিচিত। এটা এমন কিছু যা আসলে নেই, আপনি ধরে নিচ্ছেন আছে। সেভাবেই একজন (বা অসংখ্য) এসিষ্টেন্ট তৈরী করে নিন। কোন বিষয়ে সাহায্য প্রয়োজন হলে তার সাহায্য নিন।
Freelancer-7 ( ফ্রিল্যান্সার হিসেবে আপনি কখন ব্যর্থ )
Freelancing tips: ফ্রিল্যান্সার হিসেবে আপনি কখন ব্যর্থ
প্রত্যেক
মানুষের জীবনে এমন কিছু সময় আসে যখন মনে হয় তিনি কোন বিষয়ে ব্যর্থ। মনে হয় কিছুই ঠিকমত হচ্ছে না। বিষয়টি যদি ফ্রিল্যান্সিয কাজের বিষয়ে হয় তাহলে সেটা আরো ভয়ংকর। আপনি কাজ পাচ্ছেন না, অর্থ আসছে না, আয়ের পথ নেই। মনে হতেই পারে এরচেয়ে সামান্য বেতনের চাকরী করাও ভাল। অন্তত কিছু পরিমান অর্থের নিশ্চয়তা পাওয়া যেত। প্রত্যেকেই
কোন না কোন বিষয়ে ব্যর্থ হয়। চেষ্টা করেই সেখান থেকে সফলতা বের করে আনতে হয়। সফল ব্যক্তিদের উদাহরন সেকথাই বলে। ভুল থেকে কিভাবে সফলতা পাওয়া যায় তা নিয়ে ভাবুন।
কারন
বের করুন
Subscribe to:
Posts (Atom)











